মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০১৪

'কবিতা'

হৃদয়ের ক্যানভাস

-সামস উদ্দিন টনি

আনাবৃতি মরিচিকা আঘাত হেনেছে হৃদয়ের ক্যানভাসে;
অবিচ্ছিন্ন সুখের আলো যেন উদ্ভাসিত বেলা-অবেলাই
নিল-নিলান্তর মেঘের গুড়ি, বিন্দু বিন্দু শকুনের জল খাদ্য
সাদাকালো রৌদ্দর সোনালী মেঘ, বসে থাকা নীল সমদ্র।

আমায় ডেকে বলে ধোপছায়ার রাত্রি
এসো, এসো শরতের নিনাদ্রিত জোসনায়;
আনমনে রচিত কিছু কাব্বের উৎসবে ।

কবিতাই কবি কাব্য লিখেন চন্দ্রিমা আঁধারে
হাতের শুন্ন ঝুড়ি ভরে নেবে কোন ফুলে।

তুমি কবি; কখনো কি দেখেছো ?
শরতের কাশফুল ঝরে পড়েনা।
তবে কি ভাবে, কোন আকাশের নদির তীরে
তুমি খুঁজে পাবে শরতের নির্যাস;
নতুন প্রভাতে জেগে উঠে হৃদয়ের ক্যানভাস।

পদাদলিত মরিচিকা হুরমুরে নিপাতিত হয় ভাবনার কল্পরাজ্জে-
নীরব অবয়রন্ন নীরবেই চলে যাই শরতের কাশবনে;
বিকেলের রক্তিম আলোয় অনুধাবিত হয় প্রানের উচ্ছ্বাস,
নতুনত্তের নবীন নীড়ে প্রফুল্লিত হৃদয়ের ক্যানভাস।

২৪ পৌষ ১৪২০ বাংলা
আজ তোমার শূন্যতা আমাকে কষ্ট দিচ্ছে,
কাল আমার শূন্যতা তুমাকে কষ্ট দেবে
তখন সব কিছু মলিন হয়ে যাবে-
পাওয়া-নাপাওয়ার সমীকরণ আর মেলানো যাবেনা।
-সামস
ভবঘুরে এক সন্ন্যাসী আমি
রাতবিরাতে ঘুরে বেড়াই লোকালয় কিংবা নির্জন শহরে
শুধু একটাই দাবি প্রচণ্ড ভালবাসি তোকে।
-সামস
স্বপ্নচারিত এক বালুকাবেলাই
তোমার অস্তিত্ব যেন আমাবসসার রাত।
তুমি আগুনের কণ্ডোলি উরাও বাতাসের বেগে-
তুমি ভাঙ্গা সপ্নের দেহে আঘাত করো চুপি চুপি নিরবে।
আমার পৃথিবী জুড়ে তোমার অস্থিত্ত সে যেন এক মহা ইতিকাব্ব।
-সামস
আষাঢ়-শ্রাবন,
বৃষ্টির-প্লাবন,
কাদছে-আকাশ,
ঝরছে-বারি
বয়ছে বাতাস-
উরেনা পাখি।
সে এক মধুক্ষন-
বৃষ্টির উপাতন,
অতৃপ্ত গায়ে বৃষ্টি ভেজা মধুর স্পর্শ
যেন সৃতির পাতায় লিপিত একদিন।
-সামস
বর্ষা, তোমাই ভাল লাগে , কিন্ত তোমার দেওয়া এতো বৃষ্টি আমি কোথাই রাখি বলো? তোমার এ দান আমি না হয় কোন মতে হজম করলাম, কিন্ত শহরের অলি-গলি জুড়ে গরিব-দুখিরা রাস্তার ধারে ধারে যে সান্তি-কুঞ্জ বাসস্থান টোকে ছিল তাদের কি অবস্তা তোঁমি কি জান? ওঁরা এখন কোথাই তুমি কি বলতে পারবে? মানুষের দাবি তোঁমি এদের অস্থিত্ত ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছ প্রবল বর্ষনে। আমি বলব এদের অস্থিত্ত আমরাই নষ্ট করেছি কেননা আমাদের দেশে একজন পরিপূর্ণ শাসকের বড়ই অভাব। বৃষ্টি তুমি ইচ্ছা মত ঝরে পরো, আর যদি পার আরো কয়েকদিন তোমার টানা বর্ষণে এদেশের সকল পাপ জলের সাথে ধোয়ে-মোছে ভারত মহাসাগরে নিক্ষেপ করো।
সরচিত কবিতা

"ধোসর নৃত্য"

-সামস উদ্দিন টনি

আকাশের হৃৎপিণ্ডে ধরাশায়ী এক নক্কত্র হোঁচট খেয়ে
ধসে পড়েছে পৃথিবীর বুকে;
সমুদ্রের জলে চাপা পরা নুড়ি্ পাথর
তবুওঁ ধাউ ধাউ করে ঝলে উঠে।

আচেতন ঘুমের ঘোরে স্বপ্নের প্রাসাদ গড়েছি
তরী ভিরেছে পরের ঘাটে'
নৈরাজ্যের খাতিরে রাত-দিন আশার জাল বুনেছি
রক্তক্ষয়ী মিথ্যে শহরের খেয়াপাড়ে।
কি এক বাদ্যহিন ধোসর নৃত্য নেচে যায়-
আমি একাই নেচে যায় রিক্তের বেবধানে।

খেই হারানো একটি তুষ্ট পাখির দল
শুধু শুধুই ভাঙ্গা পালকের শব্দ শোনাই
এখানে তারা প্রতাগতই নিস্ক্রিও অথিতি
ত্রাসের বাধনে অবনির্মিত আমাদের পৃথিবী।


৯ আষাঢ় ১৪২০বাংলা