শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০১৪

আমার পৃথিবী জুড়ে প্রচণ্ড বজ্রপাত,
প্লাবিত হয়েছে জীবন,
ডুবে গেছে স্বপ্নের তীর,
যে টুকু ভাঙ্গা টুকরো ছিল-
সে টুকু আঁকড়ে ধরেছি,
আর ভেসে আছি অভিশপ্ত জলে
নিতান্তই এ জল শেষ বিদায়ের ঘনঘটা।
-সামস

মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০১৪

'কবিতা'

হৃদয়ের ক্যানভাস

-সামস উদ্দিন টনি

আনাবৃতি মরিচিকা আঘাত হেনেছে হৃদয়ের ক্যানভাসে;
অবিচ্ছিন্ন সুখের আলো যেন উদ্ভাসিত বেলা-অবেলাই
নিল-নিলান্তর মেঘের গুড়ি, বিন্দু বিন্দু শকুনের জল খাদ্য
সাদাকালো রৌদ্দর সোনালী মেঘ, বসে থাকা নীল সমদ্র।

আমায় ডেকে বলে ধোপছায়ার রাত্রি
এসো, এসো শরতের নিনাদ্রিত জোসনায়;
আনমনে রচিত কিছু কাব্বের উৎসবে ।

কবিতাই কবি কাব্য লিখেন চন্দ্রিমা আঁধারে
হাতের শুন্ন ঝুড়ি ভরে নেবে কোন ফুলে।

তুমি কবি; কখনো কি দেখেছো ?
শরতের কাশফুল ঝরে পড়েনা।
তবে কি ভাবে, কোন আকাশের নদির তীরে
তুমি খুঁজে পাবে শরতের নির্যাস;
নতুন প্রভাতে জেগে উঠে হৃদয়ের ক্যানভাস।

পদাদলিত মরিচিকা হুরমুরে নিপাতিত হয় ভাবনার কল্পরাজ্জে-
নীরব অবয়রন্ন নীরবেই চলে যাই শরতের কাশবনে;
বিকেলের রক্তিম আলোয় অনুধাবিত হয় প্রানের উচ্ছ্বাস,
নতুনত্তের নবীন নীড়ে প্রফুল্লিত হৃদয়ের ক্যানভাস।

২৪ পৌষ ১৪২০ বাংলা
আজ তোমার শূন্যতা আমাকে কষ্ট দিচ্ছে,
কাল আমার শূন্যতা তুমাকে কষ্ট দেবে
তখন সব কিছু মলিন হয়ে যাবে-
পাওয়া-নাপাওয়ার সমীকরণ আর মেলানো যাবেনা।
-সামস
ভবঘুরে এক সন্ন্যাসী আমি
রাতবিরাতে ঘুরে বেড়াই লোকালয় কিংবা নির্জন শহরে
শুধু একটাই দাবি প্রচণ্ড ভালবাসি তোকে।
-সামস
স্বপ্নচারিত এক বালুকাবেলাই
তোমার অস্তিত্ব যেন আমাবসসার রাত।
তুমি আগুনের কণ্ডোলি উরাও বাতাসের বেগে-
তুমি ভাঙ্গা সপ্নের দেহে আঘাত করো চুপি চুপি নিরবে।
আমার পৃথিবী জুড়ে তোমার অস্থিত্ত সে যেন এক মহা ইতিকাব্ব।
-সামস
আষাঢ়-শ্রাবন,
বৃষ্টির-প্লাবন,
কাদছে-আকাশ,
ঝরছে-বারি
বয়ছে বাতাস-
উরেনা পাখি।
সে এক মধুক্ষন-
বৃষ্টির উপাতন,
অতৃপ্ত গায়ে বৃষ্টি ভেজা মধুর স্পর্শ
যেন সৃতির পাতায় লিপিত একদিন।
-সামস
বর্ষা, তোমাই ভাল লাগে , কিন্ত তোমার দেওয়া এতো বৃষ্টি আমি কোথাই রাখি বলো? তোমার এ দান আমি না হয় কোন মতে হজম করলাম, কিন্ত শহরের অলি-গলি জুড়ে গরিব-দুখিরা রাস্তার ধারে ধারে যে সান্তি-কুঞ্জ বাসস্থান টোকে ছিল তাদের কি অবস্তা তোঁমি কি জান? ওঁরা এখন কোথাই তুমি কি বলতে পারবে? মানুষের দাবি তোঁমি এদের অস্থিত্ত ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছ প্রবল বর্ষনে। আমি বলব এদের অস্থিত্ত আমরাই নষ্ট করেছি কেননা আমাদের দেশে একজন পরিপূর্ণ শাসকের বড়ই অভাব। বৃষ্টি তুমি ইচ্ছা মত ঝরে পরো, আর যদি পার আরো কয়েকদিন তোমার টানা বর্ষণে এদেশের সকল পাপ জলের সাথে ধোয়ে-মোছে ভারত মহাসাগরে নিক্ষেপ করো।
সরচিত কবিতা

"ধোসর নৃত্য"

-সামস উদ্দিন টনি

আকাশের হৃৎপিণ্ডে ধরাশায়ী এক নক্কত্র হোঁচট খেয়ে
ধসে পড়েছে পৃথিবীর বুকে;
সমুদ্রের জলে চাপা পরা নুড়ি্ পাথর
তবুওঁ ধাউ ধাউ করে ঝলে উঠে।

আচেতন ঘুমের ঘোরে স্বপ্নের প্রাসাদ গড়েছি
তরী ভিরেছে পরের ঘাটে'
নৈরাজ্যের খাতিরে রাত-দিন আশার জাল বুনেছি
রক্তক্ষয়ী মিথ্যে শহরের খেয়াপাড়ে।
কি এক বাদ্যহিন ধোসর নৃত্য নেচে যায়-
আমি একাই নেচে যায় রিক্তের বেবধানে।

খেই হারানো একটি তুষ্ট পাখির দল
শুধু শুধুই ভাঙ্গা পালকের শব্দ শোনাই
এখানে তারা প্রতাগতই নিস্ক্রিও অথিতি
ত্রাসের বাধনে অবনির্মিত আমাদের পৃথিবী।


৯ আষাঢ় ১৪২০বাংলা

মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০১৪

পুস্প-৫

সামসুদ্দিন টনি


পুস্প, তুই কেমন আছিস? ভাল তো?
শোন, তোকে কালো জামা পরলে খুব ভাল দেখাই;
তাইতো তোকে কালো জামাটা পরে আস্তে বললাম;
আমি জানি আজ তোর দিকে দৃষ্টি রাখা সম্ভব নয়,
কেন জানিস?
তোর মখবয়ে চোখ রাখলে ওচোখ যে পলক ফেলা ভুলে যাবে।
চারিদিকে চেয়ে দেখ, প্রকৃতিরা তোর রুপে-রসে মুখরিত;
যেমনটি হয়েছিল সে দিন,
তোর অবুঝ মনটি তাকেতু কিছুই বলেনি,
হয়তবা বলতে জানিসনি বলে-
হয়তবা বুঝেও বুঝিসনি
সে কি চাই।
ভাল থাকিস!

শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

পুস্প-৪

সামসুদ্দিন টনি

পুস্প, তোর মাঝে অনেক গুলো পরিবতন  লক্ষ্য করেছি;
তোই অনেক খানি পালটে গিয়েছিস,
ঠিক যেমন ঘুট ঘুঁটে অন্ধকারে পূর্ণিমা চাঁদের মত;
তোই অনেক সুন্দর হয়ে গিএছিস-
মনে হয় ভাল কোন ব্রান্ডের ক্রিম ব্যবহার করিস?
তখনতো তোই এত স্মার্ট ছিলিনা!
তবুও তোকে অনেক অনেক.....................।
শোন, যে দিন আমার এই হৃদয়ের অজস্র ভাললাগা-
একঝাক পাখি হয়ে আকাশ ছুতে চেয়াছে তোকে নিয়ে-
সে দিন তো তোর নাবালিকা মন-
শুধুই অবুঝ একটি দৃষ্টি আমার দিকে নিক্ষেপ করেছিল;
এর চেয়ে বেশি কিছু নয়।
কিন্তু আশা করেছিলাম অনেক কিছুই। 

বুধবার, ১৪ মে, ২০১৪

পুস্প ৩

সামসুদ্দিন টনি

তোর কি মনে আছে সে দিন তোর পরনে কি ছিল?
আমার  স্পষ্ট মনে আছে, তখন তুই প

পড়ার টেবিরহা বসে আছিস, পরনে ছিল কালো একটা জামা,গায়ের উপর
জড়ানো ছিল লাল একটা চাঁদর । আবশ্য লাল রঙ আমার পছন্দ না তবু কেন জানি সেদিন তোকে বেশ ভালই লাগছিল।
আমি বক বক করছি আর পাশের জানালা দিয়ে তুই
বাইরের দিকে তাকিয়ে আছিস ।
সেদিন আকাশে চাঁদ ছিল কিনা ঠিক মনে পড়ছে না;
কিন্তু আমার চোখে পরিষ্কার ভাবে দৃষ্টায়িত হয়েছে
রূপক উজ্জল একটি চন্দ্রের মাঝে কালো একটা তিল
সে কালো টিপ টা আমাকে বার বার টেনে নিয়ে যায়
সেই দ্বিপ্রহর মধুময় স্মৃতিচরনে।
বেশ কিছু সময় কেটেছিল সেদিন।
এরপর কাল অবধি অনেক গুলো দিন
হারিয়ে গেল দুজনার জীবন থেকে।

পূস্প-২

-সামসুদ্দিন টনি

পূস্প, এ জীবন তোর জন্য নয়!
আমি জানি এতদিনকার সকল দরন্তপনা -
তোকে ডূবিয়েছে অস্থিরতার সমুদ্র জলে;
আমাকে করেছে ক্লান্তি ক্রয়ের সরদার//
তোর কি মনে আছে-
যে দিন তোকে সপ্ন জয়ের ইতি কাব্য শুনিয়েছিলাম- সেই দিনটার কথা?
দিনটা ছিল ছূটির দিন, মাঘ মাসের সন্ধ্যে বেলা, কন কনে শীত;
রাতের অন্ধকার জড়িয়েছে বিধবা নারীর প্রতিক -কূয়াশার সাদা চাদর;
তারিখটা ঠিক মনে পরছেনা/////
-চলবে

মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০১৪

পথহারা পাখির মত যাস কই,
ফিরে দেখ আছি তোর সাথে;
সপ্নে মোড়ানো রঙ্গিন পৃথিবী-
শুধুই ভালবাসার কথা বলে /
             -সামসুদ্দিন টনি

পূস্প-১

-সামসুদ্দিন টনি

ফেলে আসা এতগূলো সময় কোন সূখে কাটিয়েছিস জানিনে,
তবে কি জানিস ?
সেই নিল সমূদ্দ্রের বিসালতা পারি দিতে অনেক গূলো বাধা
সম্মুখিন হয়েছিল ভালবাসার ক্ষিপ্ত অঙ্গিকার নিয়ে;
সব কিছূই ছিল অন্ধকার রজনীর মত-
এই দূরন্ত চিত্তের বেস্ততাই কিঞ্চিত সুখের
অন্বেষণে বলি দিলাম সবটূকু ভাললাগা/
তূই বল এখন কি আর সে সময় আছে?
যখন জড়ো হয়েছিল একগূচ্ছ রঙ্গিন আশা-সপ্নদয়ের অগোচরে;
তখন তো তার প্রতি অনন্ত ভাললাগা হৃদয়ের গহিনে মাকরশার জাল বেধেছে ////
-চলবে